সারা বাংলা

সড়কের পাশে ভাগাড়, দুর্ভোগ

প্রচণ্ড দুর্গন্ধ আর দূষণের মধ্য দিয়ে নাক চেপে পথ চলতে হচ্ছে। সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণের জন্য জায়গা খুঁজছে সিটি করপোরেশন।

সড়কের পাশেই খোলা ভাগাড়ের কারণে বিরক্ত এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা বলেন, নাক চেপে পথচলার এ দৃশ্য রোজকার। অনেকটা গা-সওয়া হয়ে গেছে মানুষের। দুর্ভোগ নিয়েই এখান দিয়ে চলাচল করতে হয়। কয়েক বছর ধরে এভাবে চললেও সমাধানে করপোরেশনের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।

তবে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ময়লা-আবর্জনার ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বেশ কয়েকটি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) তৈরি করা হয়েছে। কিছু জায়গায় জমি না পাওয়ায় আরও কয়েকটি তৈরি সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয় অন্তত ১৫ জন মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই সড়ক ধরে প্রচুর লোক চলাচল করে। সড়টির পাশে কম করে বিভিন্ন ব্যাংকের ১৮টি শাখা, ৪টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাম করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবের শোরুম এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিস আছে।

ময়লা ফেলার ওই পয়েন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিটি করপোরেশনের কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, করপোরেশনের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন বাসাবাড়ির ময়লা সকাল থেকে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এই পয়েন্টে ফেলা হয়। আগে রাস্তার দুই পাশেই ময়লা ফেলা হতো। এখন এক পাশে ফেলা হচ্ছে। কাছাকাছি কোনো এসটিএস নেই। হোটেল মিলিনিয়ামের কাছে একটি ‘সেমিফরমাল এসটিএস’ থাকলেও এসব এলাকার ময়লা সেখানে নিয়ে ফেলতে গেলে ভ্যানওয়ালাদের কাছে দূরত্ব বেশি হয়ে যাবে। এতে এলাকা থেকে সারা দিন সময় নিয়েও সব ময়লা সংগ্রহ করে অপসারণ সম্ভব হবে না।

ময়লাবাহী ভ্যানের একজন চালক শেখ শফিক আহম্মদ বলেন, ‘দুটি ওয়ার্ড এলাকা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে এখানে ফেলি। সকালে, দুপুরে ও বিকেলে তিন দফা সিটির ময়লার গাড়ি এসে ময়লা নিয়ে যায়।’

জান্নাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মোবাইল শোরুমের স্বত্বাধিকারী জিএম আলম বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তার পাশে ময়লার ভাগাড় থেকে উৎকট দুর্গন্ধ ছড়ায়। পড়ে থাকা বর্জ্য রাস্তার মাঝ পর্যন্ত চলে আসে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ রকম জায়গায় এভাবে ময়লা ফেলাটা

সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ওই জায়গা সেকেন্ডারি ডাম্পিং পয়েন্ট হিসেবে ময়লা ফেলার জন্য ব্যবহার না করে আপাতত কোনো উপায় নেই। ওইখানে রাস্তার এপাশ-ওপাশ দিয়ে জায়গা খোঁজার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে; কেডিএর কাছ থেকে কিনে নেওয়ার জন্য প্লটও চাওয়া হয়েছে। টাকার কোনো সমস্যা নেই, তবে জায়গা মিলছে না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button